যে কারণে দরিদ্রতা কাটতে পারে অনেকেই - Life Master VK

Life Master VK
0

 

যে কারণে দরিদ্রতা কাটতে পারে অনেকেই - Life Master VK

আপনি কোথায় জন্মেছেন সেটা কোন বিষয় না। কারণ, সেটাতে আপনার কিছু করার নাই। কিন্তু আপনি কিভাবে জীবন-যাপন করবেন তার পুরোটাই আপনার হাতে। আমাদের অনেকের কিছু বদ অভ্যাসের কারণে দরিদ্রতা কখনোই কাটাতে পারে না। এমনি  কি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত। চলুন কি সেই বদ অভ্যাস জেনে নেই এবং আপনি মিলিয়ে নিন এগুলো আপনার মধ্যে আছে কিনা?


আমরা পুরো বিষয়টি একসাথে যাতে আপনি খুব সহজেই বুঝতে পারেন। কোন অভ্যাসগুলো আপনার পরিত্যাগ করা উচিত বা এড়িয়ে চলা উচিত।


যেকোন কোন কাজ পরে করব মনোভাব রাখা। এমন কিছু কাজ যেগুলো আজকেই করে ফেলা কিন্তু সেই কাজ কালজের জন্য ফেলা রাখা।


এই বছর যেভাবে জীবন যাপন করছেন। পরের বছর ও একইভাবে জীবন-যাপন করা ইচ্ছা। পরের বছর আরও ভালোভাবে জীবন যাপন করার ইচ্ছা বা চেষ্ঠা না থাকা।


সমাজের মানুষ কে আপনাকে নিয়ে কি ভাবে । সেটাকে গুরুত্ব দেওয়া। অনেক সময় দেখা যায় আমাদের পছন্দের একটি কাজ যেটা অন্যেকে ভালো লাগে না। এজন্য সেই কাজের প্রতি গুরুত্ব কমিয়ে দেওয়া।


নিজের অবস্থান জন্য জন্য অন্যের ঘারে দোষ চাপিয়ে দেওয়া। অনেক সময় দেখা যায়। অনেকেই বলে যে, আমি ওর জন্য আজ এখানে, ওর জন্য আমার এটা হয়েছে।



আর্থিকভাবে স্বচ্ছল না হওয়ার পরেও সমাজের মানুষকে বড়লোকী ভাব দেখানো। অনেক সময় দেখা যায়। বাড়িতে কিছু না থাকার সত্বেও মানুষকে বলে বেড়ায় যে, তার এটা আছে ওটা আছে সব সময় তার মধ্যে একটা বড়লোকী ভাব বিরাজমান থাকে।


পারফেক্ট সময়ের জন্য অপেক্ষা করাঃ সময় কারও এমনিতেই ভালো হয় না। নিজের কঠোর পরিশ্রম দিয়ে সময়কে ভালো করতে হয়। হাজারও মানুষের পারফেক্ট সময়ের অপেক্ষায় সারা জীবন কেটে যায়।


অপছন্দের কাজে চ্যালেঞ্জ নেওয়াঃ অনেক সময় দেখা যায়। কোন একটা কাজ আমার ভালো লাগে না কিন্তু ঐ কাজে তার কোনো সেটা। সেই কাজ নিয়ে তার চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতি তৈরী করা। এতে আপনার সময় ও মস্তিসকের প্রচুর ক্ষতি করা।


প্রতিজ্ঞাঃ যেটা করার আমার সামর্থ নেই। সেটা নিয়ে কাউকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া। অযথা প্রতিশ্রুতি দিয়ে মাথায় বোঝা নিয়ে বেড়ানো।


ব্যর্থতার ভয়ঃ অনেকেই আছে যারা একবার ব্যর্থ হওয়ার পর দ্বিতীয়বার ব্যর্থ হওয়ার ভয়ে থাকে। যার আর চেষ্ঠা না করেই ব্যর্থের কথা ভাবে।


পরচর্চা করাঃ নিজের যা কিছু আছে তাই নিয়ে চর্চা করুন। অযথা অন্যের বিষয়ে চর্চা করা থেকে বিরত থাকুন।


খেলাধুলা করাঃ খেলাধূলা অবশ্যই করতে হবে। কিন্তু যেগুলো আপনার ভালো লাগে। নিজের ভালো লাগার বিরুদ্ধে গেম খেলতে গিয়ে বিপদকে আমন্ত্রণ করবেনা। এক কথায় যেসব গেমে রিক্স আছে সেই গেমগুলো এড়িয়ে চলা।


ব্যস্ত থাকাঃ নিজের পছন্দের কাছে নিজের ব্যস্ত রাখা এবং দিন শেষে নিজের কাজের ফলাফলা অন্যের প্রকাশ না করা।



বদঅভ্যাসঃ অনেক মানুষকে দেখা তার কথা বেশি বলে, কানে কম শোনে এবং কাজ কম করে এমনটা করা যাবে না। এই তিনটাই আমাদের গরুত্বপূর্ণ তাই কোনোটাওয় স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি করা যাবে না।


মনোযোগ হওয়াঃ নিজের কাজে মনোযোগ না দিয়ে অন্যের কাজে মনোযোগ দিয়ে অযথা সময় নষ্ট করা।


ভূল করাঃ আমাদের ভূল থেকে শিক্ষা নিতে হবে। তবে মনে রাখতে হবে যেন একই ভূল বারবার না হয় ।


আত্মবিশ্বাসঃ আমি সঠিক আর বাকিরা সবাই ভূল। এমন মনোভার বজায় রাখা।
আবেগের বসে কাজ করাঃ কোনো কিছু হলেই সেটা ব্যক্তিগতভাবে নিয়ে আবেগতাড়িত হয়ে যাওয়া।


আয় ও ব্যয়ঃ আয় বুঝে ব্যয় করতে হবে। কিন্ত কিছু মানুষ আছে যারা আয় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যয় ও বাড়িয়ে দেয় এমনটা না করা।


সঞ্চয় ঃ একাধিক উৎস থেকে আয় করার চেষ্ঠা না করা। কাজে ঝুঁকি না নেওয়া। বিনিয়োগ না করা। সঞ্চয় না বাড়ানো।


সিদ্ধান্ত না নেওয়াঃ নিজের সিদ্ধান্ত নিজেই না নিয়ে অন্যের অপেক্ষায় থাকা।


তুলনা করাঃ নিজের সঙ্গে অন্যের বা অন্যের সঙ্গে নিজের তুলনায় ডুবে থাকা।
অন্যকে খুশি করে চালার চেষ্ঠা।


শিক্ষার চেয়ে বিনোদনকে গুরুত্ব দিয়ে নিজের সময় নষ্ঠ করা।


সোস্যাল মিডেয়াঃ নিজের সকল কাজ কর্ম ভূলে সোস্যাল মিডিয়ার ডুবে থাকা।


এই বিষয়ে আপনার কোন মন্তব্য থাকমে আমাদের করতে পারেন। এজন্য আমাদের সরাসরি চ্যাট করতে পারেন। কিংবা আমাদের সাথে যোগযোগ করতে পারেন।

#Health_Tips

Post a Comment

0 Comments

Post a Comment (0)
3/related/default